আজ ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে: ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘আজ ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে’।
ট্রাম্প দাবি করেন, গত তিন দিনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর ৪২টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের বিমানবাহিনী ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইজরায়েলের দাবি, ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অন্তর্গত কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ‘প্রথমে হামলা না হলে’ ইরানও তাদের ওপর হামলা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে তাঁর এই বক্তব্যের পরও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার তথ্য জানিয়েছে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ব্যবস্থা ইরান ধ্বংস করেছে।
এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ বলেছেন, রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে যুক্ত ৬৫টি স্কুল এবং ১৩টি কেন্দ্র এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের গণমাধ্যম। এর আগে এক বিবৃতিতে হামলার খবরটি নিশ্চিত করছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি।
যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীর মধ্যে একটি, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে বিবিসি।
ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে নিজেদের কর্মীদেরকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে বিদেশি তেল কোম্পানিগুলো। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সংগৃহীত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কর্মীরা সাফওয়ান সীমান্ত পেরিয়ে কুয়েতে প্রবেশ করছেন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

