হরমুজ প্রণালির ‘পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রে’ হামলার অভিযোগ ইরানের
ইরান অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালির কিশ দ্বীপে একটি পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, এ হামলার ‘গুরুতর পরিণতি’ হতে পারে।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলায় প্রায় ৩০টি গ্রামের পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর ও উন্মত্ত অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেন।
তবে তিনি ঠিক কোন হামলার কথা বলছেন তা স্পষ্ট নয়। এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কিশ দ্বীপে ইরানের একটি নৌঘাঁটিতে হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে।
আরাঘচি বলেন, ‘ইরানের অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ একটি বিপজ্জনক পদক্ষেপ, যার গুরুতর পরিণতি রয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “এই নজির সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান নয়।’
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য তাদের বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পোর্টসমাউথ বন্দর থেকে জাহাজটির ক্রুদের পাঁচ দিনের মধ্যে যাত্রার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের মোতায়েনের আগে ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষায় ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে রণতরীটি মোতায়েন করা হতে পারে। ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে টাইপ-৪৫ ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগন মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। এ জন্য টাইফুন ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সাইপ্রাসে অতিরিক্ত ৪০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
সুত্র: বিবিসি বাংলা

